এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ২০২৬ – MPO Teacher Salary 2026. আজকে আমরা আলোচনা করবো এমপিওভূক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা ২০২৬ এবং একজন বেসরকারি সহকারী শিক্ষক কত টাকা বেতন পান এই সম্পর্কে. বাংলাদেশে এমপিও (মন্তব্যিক পে অর্ডার)ভুক্ত শিক্ষকরা দেশের বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। সরকারি অনুদানে এমপিওভুক্ত হওয়া মানে হলো বিশ্বাসযোগ্যতা, স্থায়ী আয়, এবং বিভিন্ন ভাতা-সুবিধা। ২০২৫-২৬ সালে শিক্ষক সমাজের মধ্যে বেতন ও ভাতা-কাঠামো নিয়ে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়েছে। এই বিস্তারিত আর্টিকেলে আমরা জানবো ২০২৬ সালে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কাঠামো, সম্প্রতিক বেতন সংশোধন, দাবিসমূহ, ভাতা বৃদ্ধি, ভবিষ্যতের সম্ভাব্য পরিবর্তন এবং শিক্ষক সমাজের দীর্ঘমেয়াদি প্রত্যাশা।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ২০২৬ – MPO Teacher Salary 2026
এমপিও ভুক্ত শিক্ষক বলতে বোঝায় বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ইত্যাদি)-তে কর্মরত এমন শিক্ষক ও কর্মচারীদের যারা সরকারের Monthly Pay Order (MPO) তালিকাভুক্ত ও পারিশ্রমিক সরকার থেকে পান। অর্থাৎ, সরকার ওই শিক্ষকদের বেতন ও কিছু ভাতা সাপোর্ট করে এবং প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন প্রদান করা হয় জাতীয় বেতন স্কেল বা সংশ্লিষ্ট নীতি অনুযায়ী।
- Read More: Primary Teacher Salary Scale 2026
২০২৬ সালে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ও প্রদত্ত সুবিধা
১. বেতন কাঠামোর বর্তমান অবস্থা
বর্তমান (২০২৫-২৬) পর্যন্ত জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন নির্ধারিত হয়। এই কাঠামোর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
- মুল বেতন: গ্রেডভিত্তিক (স্কেল অনুযায়ী)
- ভাড়া ভাতা: মাসে সাধারণত ১,০০০ টাকা
- চিকিৎসা ভাতা: ৫০০ টাকা
- উৎসব ভাতা: বছরে দুইবার মূল বেতনের ২৫% (বর্তমানে সমন্বয়ের দাবি বৃদ্ধির পর আরও উন্নীত করা হয়েছে)
- অন্যান্য ভাতা ও সুযোগ: যেমন বিশেষ সুবিধা ইত্যাদি।
এই কাঠামোর ভিত্তিতে বৃহত্তর অংশ সময় ধরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বেতন পান এবং প্রতিষ্ঠানও সেই মাসিক বেতন সংগ্রহ করে প্রদান করে থাকে।
Class 6 Book 2026 PDF – ৬ষ্ঠ শ্রেণির সকল বই ২০২৬
পে-স্কেল নিয়ে বড় সুখবর; কাঠামো চূড়ান্ত, বাস্তবায়ন ধাপে ধাপে
দীর্ঘ অপেক্ষার পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামোর প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে বেতন কমিশন। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। পুরো মাত্রায় বাস্তবায়ন হবে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই থেকে।
আগামী ২১ জানুয়ারি নতুন বেতনকাঠামো–সংক্রান্ত প্রতিবেদন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ–এর কাছে জমা দেবে বেতন কমিশন। এরপর প্রতিবেদনটি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও বেতন কমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
নতুন বেতনকাঠামো আংশিক বাস্তবায়নের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় ২২ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। বেতন কমিশনের হিসাবে, প্রস্তাবিত বেতনকাঠামো পুরোপুরি কার্যকর করতে অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে।
সুপারিশকৃত কাঠামোয় নিচের দিকের গ্রেডগুলোর বেতন ও ভাতা তুলনামূলকভাবে বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা, যা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। অন্যদিকে সর্বোচ্চ ধাপে বর্তমানে বেতন ৭৮ হাজার টাকা, যা বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।
গত বছরের ২৭ জুলাই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো নির্ধারণের লক্ষ্যে বেতন কমিশন গঠন করা হয়। সাবেক অর্থসচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান–কে কমিশনের প্রধান করা হয়। ২১ সদস্যের এই কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ২০১৫ সালের বেতনকাঠামো অনুযায়ী বেতন ও ভাতা পাচ্ছেন। দেশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ১৫ লাখ।
তুলনামূলক বেতন চার্ট: ২০১৫ বনাম ২০২৬ (প্রস্তাবিত)
২১ জানুয়ারি ২০২৬-এ বেতন কমিশন তাদের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেবে। বর্তমানে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ১:৮ অনুপাত এবং সর্বনিম্ন বেতন ১৮,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা করার যে প্রস্তাবনা রয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করে এই সম্ভাব্য তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে।
| গ্রেড (Grade) | বর্তমান মূল বেতন (২০১৫ স্কেল) | সম্ভাব্য নতুন মূল বেতন (২০২৬ প্রস্তাবিত) | সম্ভাব্য মোট বেতন (বাড়িসহ আনুমানিক*) |
|---|---|---|---|
| ১ম গ্রেড | ৭৮,০০০ টাকা (নির্ধারিত) | ১,২০,০০০ – ১,৬০,০০০ টাকা | ২,০০,০০০+ টাকা |
| ৫ম গ্রেড | ৪৩,০০০ টাকা | ৯০,০০০ – ৯৫,০০০ টাকা | ১,২৫,০০০+ টাকা |
| ৯ম গ্রেড (১ম শ্রেণী) | ২২,০০০ টাকা | ৪৬,০০০ – ৫০,০০০ টাকা | ৭০,০০০+ টাকা |
| ১০ম গ্রেড | ১৬,০০০ টাকা | ৩৫,০০০ – ৪০,০০০ টাকা | ৫২,০০০+ টাকা |
| ১১তম গ্রেড | ১২,৫০০ টাকা | ২৭,০০০ – ৩০,০০০ টাকা | ৪০,০০০+ টাকা |
| ১৫তম গ্রেড | ৯,৭০০ টাকা | ২২,০০০ – ২৫,০০০ টাকা | ৩৩,০০০+ টাকা |
| ২০তম গ্রেড | ৮,২৫০ টাকা | ১৮,০০০ – ২০,০০০ টাকা | ২৮,০০০+ টাকা |
দ্রষ্টব্য: মোট বেতনের (Gross Salary) মধ্যে মূল বেতন ছাড়াও বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা এবং যাতায়াত ভাতা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের পর এই অংক সামান্য কম-বেশি হতে পারে।
২০২৫-২৬ সালে বেতন-ভাতা সংশোধন ও দাবি
১. সুপারিশকৃত বেতন কাঠামো:
২০২৫ সালে “এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোট”-এর নেতৃত্বে একটি সংগঠন পে কমিশনের কাছে নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাব পেশ করে। এর প্রধান প্রস্তাবগুলো ছিল:
একনজরে ৯ম বেতন স্কেলে কোন গ্রেডে বেতন কত (গ্রেডভিত্তিক চুড়ান্ত তালিকা)
| গ্রেড (Grade) | বর্তমান মূল বেতন (৮ম স্কেল) | সুপারিশকৃত মূল বেতন (৯ম স্কেল) |
|---|---|---|
| ১ম গ্রেড | ৭৮,০০০ টাকা (নির্ধারিত) | ১,৬০,০০০ টাকা |
| ২য় গ্রেড | ৬৬,০০০ টাকা | ১,৩২,০০০ টাকা |
| ৩য় গ্রেড | ৫৫,৫০০ টাকা | ১,১৩,০০০ টাকা |
| ৪র্থ গ্রেড | ৫০,০০০ টাকা | ১,০০,০০০ টাকা |
| ৫ম গ্রেড | ৪৩,০০০ টাকা | ৮৬,০০০ টাকা |
| ৬ষ্ঠ গ্রেড | ৩৫,৫০০ টাকা | ৭১,০০০ টাকা |
| ৭ম গ্রেড | ২৯,০০০ টাকা | ৫৮,০০০ টাকা |
| ৮ম গ্রেড | ২৩,০০০ টাকা | ৪৭,২০০ টাকা |
| ৯ম গ্রেড | ২২,০০০ টাকা | ৪৫,১০০ টাকা |
| ১০ম গ্রেড | ১৬,০০০ টাকা | ৩২,০০০ টাকা |
| ১১তম গ্রেড | ১২,৫০০ টাকা | ২৫,০০০ টাকা |
| ১২তম গ্রেড | ১১,৩০০ টাকা | ২৪,৩০০ টাকা |
| ১৩তম গ্রেড | ১১,০০০ টাকা | ২৪,০০০ টাকা |
| ১৪তম গ্রেড | ১০,২০০ টাকা | ২৩,৫০০ টাকা |
| ১৫তম গ্রেড | ৯,৭০০ টাকা | ২২,৮০০ টাকা |
| ১৬তম গ্রেড | ৯,৩০০ টাকা | ২১,৯০০ টাকা |
| ১৭তম গ্রেড | ৯,০০০ টাকা | ২১,১০০ টাকা |
| ১৮তম গ্রেড | ৮,৮০০ টাকা | ২১,০০০ টাকা |
| ১৯তম গ্রেড | ৮,৫০০ টাকা | ২০,৫০০ টাকা |
| ২০তম গ্রেড | ৮,২৫০ টাকা | ২০,০০০ টাকা |
- সর্বনিম্ন ২০,০০০ টাকা
- সর্বোচ্চ ১,২০,০০০ টাকা

প্রস্তাবটি গ্রেডভিত্তিক বেতন ব্যবস্থা হিসেবে সাজানো হয়: Grade-1 থেকে Grade-২০ পর্যন্ত বিষয়ভিত্তিক।
উদাহরণস্বরূপ:
- Grade-1: ১,২০,০০০ টাকা
- Grade-২: ১,১০,০০০ টাকা
- Grade-৩: ১,০০,০০০ টাকা
- Grade-২০: ১৬,৫০০ টাকা
এই প্রস্তাব মূলত বর্তমান MPOভুক্তদের বেতন কাঠামোর সাথে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতনের সমতা আনার উদ্দেশ্য ছিল।
২. ভাতা বৃদ্ধির সুসংবাদ
২০২৫-২৬ সালের মধ্যে সরকার কিছু ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে:
উৎসব ভাতা আলোকিত করা হয়েছে: এখন MPO ভুক্ত শিক্ষকরা উৎসব ভাতা পেতে পারেন কর্মচারীদের সমান হারে, অর্থাৎ মূল বেতনের ৫০% হিসাবে।
হাউস রেন্ট ভাতা (হাউজ রেন্ট এলাউন্স):
সরকার বাড়ি ভাড়া ভাতাও পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করেছে। ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে এটি বর্ধিত ৫% (ন্যূনতম Tk2,000) নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া স্থায়ীভাবে বাড়ি ভাড়া ভাতা ৭.৫% করা হয় এবং তা ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ১৫% পর্যন্ত উন্নীত হবে।
🔹 অর্থাৎ: ৭.৫% basic salary থেকে শুরু করে পরবর্তী ধাপে ১৫% পর্যন্ত house rent allowance টা কার্যকর হবে ২০২৬ সালের মধ্যে।
বাস্তব জীবনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন
বর্তমানে গ্রেডভিত্তিক বেতন একটু ভিন্ন হতে পারে। কিছু মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক বেতনের বিস্তারিত তালিকা অনুযায়ী:
- অধ্যক্ষ: প্রায় ৪৩,০০০ – ৬৯,৮৫০ / ৫০,০০০ – ৭১,২০০ (গ্রেড অনুযায়ী)
অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বাংলাদেশের একাধিক খবর উৎস অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
এমপিওভূক্ত শিক্ষক -কর্মচারীদের বেতন গ্রেড, অভিজ্ঞতা ও নিয়োগ যোগ্যতা ২০২৬
একজন সহকারী শিক্ষক অর্থাৎ ১০ গ্রেডে চাকরিতে নিয়োগের যোগ্যতা স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে গণিতসহ বিজ্ঞান, ব্যবসা শিক্ষা বা মানবিকে স্নাতক ডিগ্রি/সমমান ও বিএড ডিগ্রি /সমমান। বয়স অনুর্ধ্ব ৩৫ বছর (সমপদের ইনডেক্সধারীদের জন্য বয়সসীমা শিথিলযোগ্য)। বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডে মূল বেতন ১৬০০০ টাকা। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ মোতাবেক ১৬০০০-৩৮৬৪০ টাকা। অন্যদিকে প্রশিক্ষণ বিহীনদের ক্ষেত্রে চাকরি শুরুর দিকে ১২৫০০ টাকা মূল বেতন। জাতীয় বেতন স্কেল ১২৫০০-৩০২৩০ টাকা।
সরকার ও শিক্ষক সমাজের আলোচনা
সরকার ২০২৫-২৬ সালে শিক্ষক সমাজের সংগঠনগুলোর সাথে খোলামেলা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে তাদের জীবনযাত্রা উন্নত করা যায় এবং শিক্ষা খাতে আরও উৎসাহমূলক অবস্থান তৈরি করা যায়। শিক্ষা উপদেষ্টা ও মন্ত্রণালয়ের পক্ষে বলা হয়েছে যে সরকার “শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়ন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ” এবং বেতন-ভাতা সংশোধনের কাজ ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হবে।
কেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ?
১. শিক্ষকদের মর্যাদা বাড়ানো
শিক্ষকরা সমাজের ভিত্তি, তাদের মর্যাদা বজায় রাখতে উপযুক্ত বেতনstructure থাকা জরুরি।
২. জীবনমান উন্নয়ন
বর্তমান ভাতা-বেতনের ভিত্তিতে অনেক শিক্ষক দৈনিক ব্যয়সহ পরিবারের প্রয়োজন মেটাতে সমস্যায় পড়েন। উন্নত বেতন নিশ্চিত করলে শিক্ষকেরা আত্নবিশ্বাসী ও সফলভাবে শিক্ষা দিতে পারবেন।
৩. শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধি
বেতন-ভাতা উন্নয়ন শিক্ষকদের মধ্যে উৎসাহ বৃদ্ধি করে ও শিক্ষাদানের মান উন্নয়ন করে।
ভবিষ্যতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কাঠামো: সম্ভাবনা
জাতীয় বেতন স্কেল সমতা
সরকার ও শিক্ষক সমাজের আলোচনার পরবর্তীতে বেতন কাঠামো পুরোদস্তুর সংশোধনের সম্ভাবনা রয়েছে এবং সেটিকে জাতীয় বেতন স্কেলের সাথে আরো সম্প্রসারিত করার প্রস্তাবও শিক্ষকদের পক্ষ থেকে করোনা পরবর্তী নতুন Pay Commission যুক্ত করে আনার দাবি রয়েছে।
ভাতা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা
বর্তমানে house rent, festival bonus ও অন্যান্য ভাতাগুলো ধাপে ধাপে বৃদ্ধি হচ্ছে, এবং ভবিষ্যতে এটি আরো সরকারের অর্থনৈতিক সক্ষমতা অনুযায়ী বৃদ্ধি পেতে পারে।
উপসংহার
২০২৬ সালে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ব্যবস্থা একটি জটিল ও সংশোধনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতিক প্রস্তাব অনুযায়ী সর্বনিম্ন ১৬৫০০ থেকে সর্বোচ্চ ১,২০,০০০ টাকা পর্যন্ত বেতন কাঠামো প্রস্তাবিত হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে শিক্ষক সমাজের আর্থিক স্থিতিশীলতায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। এছাড়া ভাতা-সুবিধাগুলোও উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হচ্ছে, যেমন উৎসব ভাতা এবং বাড়ি ভাড়া ভাতা।
শিক্ষক সমাজ ও সরকারের সহযোগিতায় ২০২৬ সালে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কাঠামো আরও উন্নয়নের পথে এগোচ্ছে, যা শিক্ষক জীবনে স্বীকৃতি, নিরাপত্তা ও প্রোত্সাহ বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে।

2 thoughts on “এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ২০২৬ – MPO Teacher Salary 2026”